Monday, March 20, 2017
Sunday, March 5, 2017
hello
4:53 PM
আজকে আমরা কথা বলব ফরেক্স ব্রোকার IB আসলে IB টার মানে কি? IB মিনিং হচ্ছে Introducing Broker(IB )। আমাদের দেশের বেশীর ট্রেডারদের IB এর বিষয়ে কিছু ভুল ধারনা আছে। যেমন অনেকে বলে IB লিঙ্ক থেকে একাউন্ট ওপেন করলে লস হয়। অনেকেই বলে IB লিঙ্ক দিয়ে একাউন্ট ওপেন করলে স্প্রেড বেশি কাটে!! আবার অনেকেই বলে IB হচ্ছে একটা টাকা মেরে দেয়ার ধান্দা!
আসলেই কি তাই? উঃ না !! আপনি ব্রোকারের ডাইরেক্ট লিঙ্ক দিয়ে একাউন্ট ওপেন করলে যে পরিমাণ স্প্রেড কাটার কথা তাই কাটবে IB লিঙ্ক দিয়ে ওপেন করলে। এখন স্প্রেডের বিষয় কিছু বলি ব্রোকার যখন লিকুইডিটি প্রোভাইডারদের সাথে চুক্তি করে সেখানে যে বিষয় উল্লেখ থাকে তা হলঃ ব্রোকারে যদি ১.৫ স্প্রেড থাকে তাহলে ১ হচ্ছে ব্রোকারে এবং .৫ হচ্ছে এল পি এর। এখন কথা থাকতে পারে তাহলে ecn ব্রোকারে তো অনেক কম স্প্রেড তাহলে কি এল পি এর কি লাভ?
লাভ আছে কারন এটা ট্রেড ওপেন করার সময় ধরে নিলাম ০.৩ স্প্রেডে ট্রেড ওপেন হইছে এখন আপনি যে প্রাইজে এস এল বসিয়েছেন সেখান থেকে বাকি ০.৩ কেটে নিবে যদি টিপি হিট করে তাহলেও ০.৩ কেটে নিবে। লক্ষ করে দেখবেন যে আপনি যে প্রাইজে এস এল বা টিপি বসিয়েছেন তা উক্ত প্রাইজে হিট করে না!
টিপি বা এস এল হিট করব উক্ত সময়ের স্প্রেডের উপর যদি সে সময় স্প্রেড বেড়ে যায় তাহলে স্প্রেড কেটে তারপর এস এল বা টিপি হিট করবে। যেমন ধরেন XM.COM ব্রোকারে ট্রেড করেছেন বাই ০,৫ স্প্রেডে টিপি দিয়েছেন ১,৫০৫৫০ প্রাইজ যখন এই প্রাইজে আসবে তখন টিপি হিট হবে না তখন যদি স্প্রেড থাকে ১ তাহলে আপনার টিপি কাউন্ট হবে ১,৫০৫৬ কিন্তু আপনার হিস্টিরিতে ১.৫০৫৫০ দেখাবে। এখন কথা হচ্ছে একজনের রেফারালে একাউন্ট ওপেন করে লাভ কি? লাভ যদি না থাকে তাহলে একাউন্ট করবেন না । যে আপনাকে IB এর আন্ডারে আনতে চাচ্ছে সে অবশ্যই কিছু সুবিধা আপনাকে দিবে।
যেমনঃ এডুকেশনাল সাপোর্ট , ট্রেড আইডিয়া বা সিগন্যাল ইত্যাদি। IB থেকে একাউন্ট ওপেন করলে কারো কোন ক্ষতি হয় না। এখন কথা থাকতে পারে তাহলে যার IB সে তো প্রফিট করে ! জি আপনি ট্রেড করলে সে প্রফিট করবে মানে কিছু কমিশন পাবে যেটা ব্রোকার সর্ম্পনটা নিয়ে নিতো সেটার কিছু ভাগ IB হল্ডারদের দেয়। যাতে সেই IB হল্ডার আরো ক্লাইন্ট সেই ব্রোকারকে দেয় এই কারনে। এতে কোন গ্রাহকের বা ট্রেডারের ক্ষতি হয় না। একবার ভাবুন আপনি IB এর আন্ডারে একাউন্ট করছেন আপনি যদি সবসময় প্রফিট করেন এবং ফরেক্স মার্কেটে টিকে থাকেন তাহলে সেই IB হল্ডার সবসময় কমিশন পাবে। কোন IB হল্ডার চায় না তার ক্লাইন্ট লস করুক সে চায় আপনি টিকে থাকুন এবং প্রফিট করুন তার জন্য IB হল্ডারও আপনাকে সাহায্য করার চেস্টা করে যাতে করে আপনি টিকে থাকেন এবং প্রফিট করেন। কারন আপনি টিকে থাকলে IB হল্ডারের লাভ আর ঝরে পরলে তার কোন লাভ নাই। তাই আমরা IB নিয়ে যে বাঝে চিন্তা ছিল তা ভুলে যাই যা সঠিক তা নিয়ে থাকি।
ধন্যবাদ সবাইকে এবং ভাল লাগলে শেয়ার করবেন প্লিজ।
টিপি বা এস এল হিট করব উক্ত সময়ের স্প্রেডের উপর যদি সে সময় স্প্রেড বেড়ে যায় তাহলে স্প্রেড কেটে তারপর এস এল বা টিপি হিট করবে। যেমন ধরেন XM.COM ব্রোকারে ট্রেড করেছেন বাই ০,৫ স্প্রেডে টিপি দিয়েছেন ১,৫০৫৫০ প্রাইজ যখন এই প্রাইজে আসবে তখন টিপি হিট হবে না তখন যদি স্প্রেড থাকে ১ তাহলে আপনার টিপি কাউন্ট হবে ১,৫০৫৬ কিন্তু আপনার হিস্টিরিতে ১.৫০৫৫০ দেখাবে। এখন কথা হচ্ছে একজনের রেফারালে একাউন্ট ওপেন করে লাভ কি? লাভ যদি না থাকে তাহলে একাউন্ট করবেন না । যে আপনাকে IB এর আন্ডারে আনতে চাচ্ছে সে অবশ্যই কিছু সুবিধা আপনাকে দিবে।
যেমনঃ এডুকেশনাল সাপোর্ট , ট্রেড আইডিয়া বা সিগন্যাল ইত্যাদি। IB থেকে একাউন্ট ওপেন করলে কারো কোন ক্ষতি হয় না। এখন কথা থাকতে পারে তাহলে যার IB সে তো প্রফিট করে ! জি আপনি ট্রেড করলে সে প্রফিট করবে মানে কিছু কমিশন পাবে যেটা ব্রোকার সর্ম্পনটা নিয়ে নিতো সেটার কিছু ভাগ IB হল্ডারদের দেয়। যাতে সেই IB হল্ডার আরো ক্লাইন্ট সেই ব্রোকারকে দেয় এই কারনে। এতে কোন গ্রাহকের বা ট্রেডারের ক্ষতি হয় না। একবার ভাবুন আপনি IB এর আন্ডারে একাউন্ট করছেন আপনি যদি সবসময় প্রফিট করেন এবং ফরেক্স মার্কেটে টিকে থাকেন তাহলে সেই IB হল্ডার সবসময় কমিশন পাবে। কোন IB হল্ডার চায় না তার ক্লাইন্ট লস করুক সে চায় আপনি টিকে থাকুন এবং প্রফিট করুন তার জন্য IB হল্ডারও আপনাকে সাহায্য করার চেস্টা করে যাতে করে আপনি টিকে থাকেন এবং প্রফিট করেন। কারন আপনি টিকে থাকলে IB হল্ডারের লাভ আর ঝরে পরলে তার কোন লাভ নাই। তাই আমরা IB নিয়ে যে বাঝে চিন্তা ছিল তা ভুলে যাই যা সঠিক তা নিয়ে থাকি।
ধন্যবাদ সবাইকে এবং ভাল লাগলে শেয়ার করবেন প্লিজ।
Saturday, March 4, 2017
hello
12:11 PM
এক্সট্রিম ফরেক্স ব্রোকারে ২০/০৩/২০১৭ তারিখ হতে চালু হতে যাচ্ছে মাসিক কন্টেস্ট!!
কন্টেস্টের প্রাইজ উইদ্র করা যাবে কোন প্রকার কন্ডিশন ছাড়া। চাইলে উক্ত প্রাইজ আপনি তাদের ব্রোকারে ট্রেড
করতে পারেন। কন্টেস্ট প্রাইজ গুলো হচ্ছেঃ 1st place – $11,000 2nd place – $5000 3rd place – $3000 4th-5th place – $200 6th to 15th – $60 প্রাইজ মোট ১৫ জন পাবেন। কন্টেস্টে জয়েন করতে যা করতে হবে আপনাকে প্রথমে একটি রিয়াল একাউন্ট ওপেন করতে হবে। তারপর কন্টেস্টের পেজ হতে একটি ডেমো একাউন্ট ওপেন করতে হবে। একাউন্ট ওপেন করতে রেজিস্টেশন করুন এখানে এখানে ক্লিক করুন.
করতে পারেন। কন্টেস্ট প্রাইজ গুলো হচ্ছেঃ 1st place – $11,000 2nd place – $5000 3rd place – $3000 4th-5th place – $200 6th to 15th – $60 প্রাইজ মোট ১৫ জন পাবেন। কন্টেস্টে জয়েন করতে যা করতে হবে আপনাকে প্রথমে একটি রিয়াল একাউন্ট ওপেন করতে হবে। তারপর কন্টেস্টের পেজ হতে একটি ডেমো একাউন্ট ওপেন করতে হবে। একাউন্ট ওপেন করতে রেজিস্টেশন করুন এখানে এখানে ক্লিক করুন.
![]() |
hello
10:34 AM
গত পর্বে আমরা জানতে পারলাম হতাশ একমাত্র বুদ্ধিমান লোকেরা হয়ে থাকে।
আজকে জানবো হতাশার কারনে মানুষের কি কি রোগ বা সমস্যায় পরতে হয়।
উইকলি গার্ডনার পত্রিকার একটি জরীপ, হতাশা জনিত সংক্রামক ব্যাধী, নামে একটা প্রবন্ধ ছেপেছিলেন, যেখানে বলা হয়েছিল,... আমেরিকা, তথা বিংশ শতাব্দির দুনিয়ার সব থেকে ভয়াবহ মানসিক ব্যাধির নাম হতাশা। পৃথিবীতে যতো লোক অঘটন ও অপঘাতে অপমৃত্যু বরন করে, তার থেকে বহুগুন বেশী মানুষ জীবমৃত হয়ে মৃত্যুর পূর্বে মৃত্যুকে বরন করে!!
হতাশা, দুর্ঘটনার চেয়েও বেশী ক্ষতিকারক। তার কারন, পঙ্গু মানুষকে কর্মক্ষম হয়ে জীবন সংগ্রাম করতে দেখা যায় অথচ হতাশাগ্রস্থরা একেবারে ভেঙ্গে পড়ে এবং সে ক্ষেত্রে তাদের সব অঙ্গই স্থবির হয়ে যায়।
হতাশা মানুষের কি কি ক্ষতি করে তার নজির দেখুনঃ
১। প্রথমতঃ উদ্যমহীন করে ফেলে। ২। এরা মানুষের ও পৃথিবীর ভালো দিক দেখতে পারে না। ৩। কেবলই সমস্ত মানুষের মধ্যে ও জিনিসের মধ্যে দোষ ও খুঁত খুঁজে বেড়ায়। ৪। দৃষ্টিকে নিচের দিকে অর্থাৎ তুচ্ছ ও অমহান দিকে নামিয়ে আনে। ৫। জীবন, পৃথিবী ও সমস্ত প্রানী সম্পর্কে প্রকাশ্যে অথবা গুপ্তভাবে খারাপ ধারনা পোষণ করে। ৬। জনকল্যানকামী মনের মৃত্যু ঘটে। ৭। জীবনকে উচ্ছন্নতার প্রচন্ড স্রোতে নিমজ্জিত করে। ৮। আদর্শচ্যুত হয়। ৯। অসামাজিক হয়ে পড়ে। ১০। ভেতরে উদ্ভট ও অনিশ্চিত আক্রোশ পোষণ করে। ১১। বিপথগামী হয়
১২। অপরাধের পরিবেশে এলে, সহজেই অপরাধ করে বসা অস্বাভাবিক নয়। ১৩। ধার্মিক লোকও অধার্মিক ও নাস্তিক হয়ে পড়ে। ১৪। রগচটা, বদরাগী ও খুঁত খুঁতে স্বভাব প্রাপ্ত হয়। ১৫। সহজ জিনিসকে বাঁকা করে দেখতে শুরু করে। ১৬। অনিদ্রায় ভোগে। ১৭। পাগল হয়ে যেতে পারে। ১৮। বাইগ্রস্থ হতে দেখা যায়। ১৯। দাহ, প্রদাহ, অগ্নিমন্দা ও যকৃত জনিত পীড়ার শিকার হয়। ২০। পাকস্থলীর হজম ক্ষমতা কমে যায়।
২১। অল্পোতেই রোগাক্রান্ত হয়।
২২। আত্নভিমানী হয়, আত্মহত্যাও এদের জন্য বিচিত্র নয়।
২৩। সংসার ও কর্ম জীবনের অশান্তিতে থাকে ও অশান্তি সৃষ্টি করে।
২৪। কঠিন অবস্থায় চরম নেশাসক্ত হয়ে পড়তে পারে।
২৫। আত্মহনন প্রবনতা চরম রূপ নিতে পারে।
২৬। ধংসাক্তক কাজে অবলিলায় ঝাপিয়ে পড়তে পারে।
২৭। সুবিচার বোধ কমে যায়, অন্যের লঘু অপরাধের জন্য গুরুদন্ড দিতে পারে।
২৮। ভুত তত্ত, প্রেম তত্ত ও জ্যোতিশি শাস্ত্রে বিশ্বাসী হয়ে ওঠে ।
২৯। চেহারার আকর্ষন হারায় ও ব্যক্তিত্বহীন হয়ে পরে।
৩০। আমাশয় ও আলসার জাতিয় রোগে ভুগতে পারে।...
এছাড়া অনেক পতনমুখী দিক হতাশাগ্রস্থদের মাঝে প্রকাশিত হয়ে থাকে। উপরোক্ত কথাগুলো বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে তাই না? কিন্তু এই কথা গুলো আমার কথা নয়। কথা গুলা বলছেন নিউ ইয়র্কের মানুষিক রোগীর প্রধান চিকিৎসক আলফ্রেড ডগার।
আজকে এইটুকুই,............... happy trading... and control your emotions,,,,,,,,,,,
১। প্রথমতঃ উদ্যমহীন করে ফেলে। ২। এরা মানুষের ও পৃথিবীর ভালো দিক দেখতে পারে না। ৩। কেবলই সমস্ত মানুষের মধ্যে ও জিনিসের মধ্যে দোষ ও খুঁত খুঁজে বেড়ায়। ৪। দৃষ্টিকে নিচের দিকে অর্থাৎ তুচ্ছ ও অমহান দিকে নামিয়ে আনে। ৫। জীবন, পৃথিবী ও সমস্ত প্রানী সম্পর্কে প্রকাশ্যে অথবা গুপ্তভাবে খারাপ ধারনা পোষণ করে। ৬। জনকল্যানকামী মনের মৃত্যু ঘটে। ৭। জীবনকে উচ্ছন্নতার প্রচন্ড স্রোতে নিমজ্জিত করে। ৮। আদর্শচ্যুত হয়। ৯। অসামাজিক হয়ে পড়ে। ১০। ভেতরে উদ্ভট ও অনিশ্চিত আক্রোশ পোষণ করে। ১১। বিপথগামী হয়
১২। অপরাধের পরিবেশে এলে, সহজেই অপরাধ করে বসা অস্বাভাবিক নয়। ১৩। ধার্মিক লোকও অধার্মিক ও নাস্তিক হয়ে পড়ে। ১৪। রগচটা, বদরাগী ও খুঁত খুঁতে স্বভাব প্রাপ্ত হয়। ১৫। সহজ জিনিসকে বাঁকা করে দেখতে শুরু করে। ১৬। অনিদ্রায় ভোগে। ১৭। পাগল হয়ে যেতে পারে। ১৮। বাইগ্রস্থ হতে দেখা যায়। ১৯। দাহ, প্রদাহ, অগ্নিমন্দা ও যকৃত জনিত পীড়ার শিকার হয়। ২০। পাকস্থলীর হজম ক্ষমতা কমে যায়।
hello
2:48 AM
কেন আপনি হতাশ??
হতাশার ৩টি কারনঃ (১) নিজের কর্মক্ষমতা সম্পর্কে অগাধ বিশ্বাসের অভাবে তথা আত্মবিশ্বাসের অভাবে।
(২) অপরিসীম ধর্যের অভাবে।
(৩) কর্ম সম্পাদন কৌশলকে আবিষ্কার করতে না পারলে অথবা অন্যের আবিষ্কৃত কৌশলে চলতে গিয়ে সেটা আয়ত্তে না আনতে পারলে।
এবার নিজেই বোঝতে পারবেন, মানুষ কথন হতাশ হয়?
পৃথিবীতে যতোটা সমস্যা রয়েছে তার চেয়ে বেশী রয়েছে সমাধানের পথ।
যারা এই পৃথিবীতে
বের্থ ও পরাজিত, তাদের জন্য একটি পরোক্ষ সুসংবাদ দিয়েছেন বেনজামিন
ফ্রাঙ্কলিন। জনাব ফ্রাঙ্কলিন বলেন, সফলতা অনেক সময় মানুষের জীবনে পতনকে
ডেকে আনে। সফল ও সার্থক লোকদের সামনে সাধারনত যা অপেক্ষা করে, সেটা হচ্ছে
স্থবিরতা ও নতুন করে আশা ভঙ্গের সম্ভাবনা। অথচ বের্থ, অসার্থক ও
হতাশাগ্রস্থরা যদি বারংবার বিফলতার পর পুনঃ পদক্ষেপ নেয় তবে তারা সার্থকতার
সর্নসিড়ি খুঁজে পাবে এবং পেয়ে থাকে। জোসেফ এডিসন, হতাশা গ্রস্থদের জন্য
একটা জবরদস্থ মজার কথা শুনিয়েছেন। এডিসন নিজেই অনেক বার ব্যর্থতার শিকার
হয়েছেন। এমনভাবে ব্যর্থ খুব কম লোককই হতে দেখা যায়। অথাচ এডিসন থেমে যায়নি
বা হতাশার শিকারও হননি। এডিসন বলছেন, কোন মানুসেরই হতাশ হবার কারন নেই যদি
সে জীবনের ক্ষেত্রে ৪টি বিষয়ে মনোযোগী হয়। কি সেই ৪ টি বিষয়?যেটাকে জীবনে
গ্রহন করে এডিসন বিজয়ের মালা পেয়েছেন এবং হতাশাগ্রস্থদের জন্য উপদেশ
দিয়েছেন?
(১) অধ্যবসায়কে কর তোমার অন্তরঙ্গ সুহৃদ।
(২) অভিজ্ঞতাকে কর তোমার বিজ্ঞ মন্ত্রনাদাতা।
(৩) সতর্কতাকে কর তোমার অগ্রজ।
এই চারটি বিষয়কে যিনি নিজের জীবনে আকড়ে ধরতে পারেন ব্যর্থতা তাঁকে দেখে পালাবে, হতাশা তার ধারে কাছেও ঘেষতে পারবেন না।
হতাশাগ্রস্থরা হচ্ছে যারা বুদ্ধিমান!!! অবাক হচ্ছেন??
হতাশ লোকের উপর
একটি প্রশিক্ষন কেন্দ্রের ছাত্ররা যখন জরীপ কাজ চালাচ্ছিলো, তখন একজন
ক্রাইসোসটাম নামক তরুনের সাথে আলাপ হয়েছিলো। ক্রাইসোসটাম একটি কারখানায় কাজ
করতো। তার বেতন ছিলো নামকে ওয়াস্তে একটি বেতন- যে বেতনে কোন সাধারন
ব্যক্তিই সহজভাবে জীবনযাপন করতে পারে না। তার কাজ ছিলো গীর্জার বড় ঘড়ি
দেখে, লোহার হাতুড়ী দিয়ে মস্তবড় একটা তামার থাল পিটিয়ে সময়ের সংকেত দেয়া।
কারখানা জুরে তখন লক আউট স্ট্রাইক চলছে। সবাই বেতন ও বোনাসের জন্য সংগ্রাম
চালাচ্ছে। ক্রাইসসটম ছিল এ বিষয়ে একদম নির্বিকার। অথচ তার স্ত্রী, পুত্র,
কন্যাসহ পরিবারের অবস্তা ছিলো সবচেয়ে দুঃখজনক ও মারাত্মক। ক্রাইসোসসটমকে
জনৈক ছাত্র জিজ্ঞেস করলো,
ছাত্রঃ তোমার বেতন বৃদ্ধির জন্য প্রচেষ্টা নেই কেন?
ক্রাইসোসসটমঃ হাসতেছে... হা হা হা...
ছাত্রঃ তোমার তো আরো অনেক টাকা দরকার- তাই না?
ক্রাইসোসটম কিছুক্ষন হা করে তাকিয়ে থেকে প্রশ্নটা বোঝার চেস্টা করলো পরে হেসে বললো,
ক্রাইসোসসটমঃ অনেক টাকা নয়। আজকের জন্য একটা পাউরুটি কেনার টাকা হলেই হবে। আপনারা সেই টাকা নিবেন নাকি?
ছাত্রটি অবাক হয়ে জানতে চাইলো,
ছাত্রঃ এভাবে তোমার মূল সমস্যার সমাধান হবে কি? তোমার আরো অনেক দাবি থাকা উচিত।
ক্রাইসোসটম হেসে বলল,
ক্রাইসোসসটমঃ না, আমার দাবী নেই।
আসলেই কি,
ক্রাইসোসটম খুবই ভাগ্যনিবেদিত ও ধর্মপ্রান ব্যক্তি ছিলো? উঃ না, ক্রাইসোসটম
ছিলো একটা নির্বোধ। সম্পুর্ন নির্বোধ এবং এই ধরনের সম্পুর্ন নির্বোধ
লোকেরা কখনই হতাশার শিকার হয় না।
দুই শ্রেনীর লোকেরা কখনই হতাশার শিকার হয় না,
(১) সম্পুর্ন নির্বোধ
(২) প্রকৃত ধার্মিক শ্রেনির।
আজ এই পর্যন্তই............
hello
1:07 AM
আশা নয় বিশ্বাস আমরা সবাই ভাল আছি।
যাই হোক আলোচনায় আসা যাক। সকল বিজনেসের একটা সেসেন থাকে ফরেক্স মার্কেটেও আছে। ভাই আমি ফরেক্স মার্কেটের সিডনি সেসন লন্ডন সেসন ইত্যাদি বোঝাতে চাচ্ছি না!!! যেমন, আপনি যদি সেলুন দুকানদারকে জিজ্ঞাস করেন যে আপনার কোন সময় বিজনেস চাঙ্গা থাকে? সে উঃ দিবে গরমকালে !! কারন গরম কালে মানুসের সব কিছুই তারাতারি বারে। আবার যদি আপনি আরকেট্রেকচারকে জিজ্ঞাস করেন ভাই আপনার কখন অনেক ইনকাম হয় বা আপনার বিজনেস কোন সময় চাঙ্গা থাকে সে বলবে শিতকালে!! কারন শিতকালে মানুস ঘর বাড়ি ইত্যাদির কাজ বেশি করে কারন বৃষ্টির ঝামেলা নাই তাই। আবার যদি আপনি ইলেক্ট্রনিক্স কোম্পানিকে একই প্রশ্ন করেন তারা বলবে গরম কালে তাদের বিজনেস চাঙ্গা থাকে কারন গরমকালে ফ্রিজ, টিভি ইত্যাদি বেশি ক্রয় করে মানুষ। এখন কি বোঝতে পারছেন? শুধু সিডনি সেসন লন্ডন সেসন ইত্যাদি ছাড়াও আরো কিছু আছে। যা আমাদের জানা থাকা ভাল। মার্চ মাস হচ্ছে সাইডওয়ে ট্রেন্ডের মাস মানে হচ্ছে ফরেক্স পেয়ার গুলা একটা রেঞ্জের মধ্যে থাকবে। সুতরাং আপনি এনালাইসিস করে দেখলেন যে মার্কেট আপ হবে তারপর কিছুটা আপ হয়ে মার্কেট আবার ডাউন হয়ে গেছে। অথবা আপনি দেখলেন মার্কেট ডাউন হবে কিছুটা ডাউন হয়ে তারপর মার্কেট আপ হয়ে গেছে। মাসটা এই ভাবেই কেটে যাবে তাই টেন্ডিং মার্কেটের স্ট্রেটেজি রেঞ্জিং মার্কেটে এপ্লাই করা যাবে না। প্রশ্ন থাকতে পারে আমি কি করে বোঝবো মার্কেট রেঞ্জ মোডে চলে যাবে? ফান্ডামেন্টালি ভাবে প্রতিটি মাসে এক একটা পদক্ষেপ বা সিদ্ধান্ত নেয়। যেমন, এন এফ পি, এফ এম ও সি, জিডিপি ইত্যাদি। যদিও আমি ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস করি না। আমি ফুল টেকনিকাল ট্রেডার...। এখন উঃ দেয়া যাক, উঃ হচ্ছে প্রতিটি দেশে আমাদের দেশের মতই বিজনেস মেন ইন্ড্রাস্ট্রিজ ইত্যাদি আছে এখন তাদের বিজনেস যত ভাল হবে তাদের দেশ আর্থিক ভাবে সবল হবে। এখন কথা থাকতে পারে আমি এত দেশ নিয়ে এনালাইসি করব কি করে? সব গুলা করার দরকার নাই যাস্ট usd নিয়ে গবেশনা করুন। তাহলেই সব গুলা পেয়ার আপনি আপনার প্রেডিকশনের মধ্যে রাখতে পারবেন। যেমন দেখেন এখন usd/jpy পেয়ারটি এখন আপ হচ্ছে তাই বলে কি আপ হতেই থাকেবে? উঃ না, এই পেয়ারটি এখন ডাউন হবার সময় হয়েছে মনে হচ্ছে এনালাইসিস এটাই বলতেছে চিত্র দেখুন >
যাই হোক আলোচনায় আসা যাক। সকল বিজনেসের একটা সেসেন থাকে ফরেক্স মার্কেটেও আছে। ভাই আমি ফরেক্স মার্কেটের সিডনি সেসন লন্ডন সেসন ইত্যাদি বোঝাতে চাচ্ছি না!!! যেমন, আপনি যদি সেলুন দুকানদারকে জিজ্ঞাস করেন যে আপনার কোন সময় বিজনেস চাঙ্গা থাকে? সে উঃ দিবে গরমকালে !! কারন গরম কালে মানুসের সব কিছুই তারাতারি বারে। আবার যদি আপনি আরকেট্রেকচারকে জিজ্ঞাস করেন ভাই আপনার কখন অনেক ইনকাম হয় বা আপনার বিজনেস কোন সময় চাঙ্গা থাকে সে বলবে শিতকালে!! কারন শিতকালে মানুস ঘর বাড়ি ইত্যাদির কাজ বেশি করে কারন বৃষ্টির ঝামেলা নাই তাই। আবার যদি আপনি ইলেক্ট্রনিক্স কোম্পানিকে একই প্রশ্ন করেন তারা বলবে গরম কালে তাদের বিজনেস চাঙ্গা থাকে কারন গরমকালে ফ্রিজ, টিভি ইত্যাদি বেশি ক্রয় করে মানুষ। এখন কি বোঝতে পারছেন? শুধু সিডনি সেসন লন্ডন সেসন ইত্যাদি ছাড়াও আরো কিছু আছে। যা আমাদের জানা থাকা ভাল। মার্চ মাস হচ্ছে সাইডওয়ে ট্রেন্ডের মাস মানে হচ্ছে ফরেক্স পেয়ার গুলা একটা রেঞ্জের মধ্যে থাকবে। সুতরাং আপনি এনালাইসিস করে দেখলেন যে মার্কেট আপ হবে তারপর কিছুটা আপ হয়ে মার্কেট আবার ডাউন হয়ে গেছে। অথবা আপনি দেখলেন মার্কেট ডাউন হবে কিছুটা ডাউন হয়ে তারপর মার্কেট আপ হয়ে গেছে। মাসটা এই ভাবেই কেটে যাবে তাই টেন্ডিং মার্কেটের স্ট্রেটেজি রেঞ্জিং মার্কেটে এপ্লাই করা যাবে না। প্রশ্ন থাকতে পারে আমি কি করে বোঝবো মার্কেট রেঞ্জ মোডে চলে যাবে? ফান্ডামেন্টালি ভাবে প্রতিটি মাসে এক একটা পদক্ষেপ বা সিদ্ধান্ত নেয়। যেমন, এন এফ পি, এফ এম ও সি, জিডিপি ইত্যাদি। যদিও আমি ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস করি না। আমি ফুল টেকনিকাল ট্রেডার...। এখন উঃ দেয়া যাক, উঃ হচ্ছে প্রতিটি দেশে আমাদের দেশের মতই বিজনেস মেন ইন্ড্রাস্ট্রিজ ইত্যাদি আছে এখন তাদের বিজনেস যত ভাল হবে তাদের দেশ আর্থিক ভাবে সবল হবে। এখন কথা থাকতে পারে আমি এত দেশ নিয়ে এনালাইসি করব কি করে? সব গুলা করার দরকার নাই যাস্ট usd নিয়ে গবেশনা করুন। তাহলেই সব গুলা পেয়ার আপনি আপনার প্রেডিকশনের মধ্যে রাখতে পারবেন। যেমন দেখেন এখন usd/jpy পেয়ারটি এখন আপ হচ্ছে তাই বলে কি আপ হতেই থাকেবে? উঃ না, এই পেয়ারটি এখন ডাউন হবার সময় হয়েছে মনে হচ্ছে এনালাইসিস এটাই বলতেছে চিত্র দেখুন >
usd/jpy
যদি আপ হয় তাহলে ১১৪,৯৫ এখন বিসয় হচ্ছে অনেকেই বলতে পারেন এটা তো স্ট্রং
বাই দেখতেছি। হ্যাঁ বাই দেখাচ্ছে কিন্তু বাই হবে বলে মনে হয় না আমার যা আপ
হবার হয়েছে এখন এটা একটা ইনিশিয়াল রেজিস্টান্সে আছে। সুতরাং এখন ডাউন হবার
পালা কারন এই মাসটাই এমন আপ ডাউন দুটাই হবে মানে সাইডওয়ে ট্রেন্ড বা
রেঞ্জ। এখন প্রশ্ন হচ্ছে মার্চ মাসের বিষয়টা তো জানলাম মার্চ মাস হচ্ছে
রেঞ্জের মাস!! সব পেয়ার গুলা আপ হচ্ছে আবার ডাউন হয়ে যাচ্ছে এবং এই মাসে
অনেক ট্রেডার লস করে থাকে অন্য মাস থেকে একটু বেশি। তাই এই মার্চ মাসে যত
এন্ট্রি কম নেয়া যায় এবং টার্গেট ছোট ছোট হবে। ওকে আমরা তাহলে বোঝতে পারলাম
মার্চ মাসে কিভাবে ট্রেড করব। কিন্তু তারপরের মাসে কিভাবে ট্রেড করব? ওকে
এপ্রিল মাসের সল্যুশন আছে!! সাধারণত এপ্রিল মাসে ইউরো স্ট্রং হয়ে থাকে এবং
ডলার একটু দুর্বল হয়ে থাকে। তাই আমরা
eur/usd এপ্রিল মাসের জন্য বাই করতে পারি। একটি দেশের কারান্সি জিডিপি ইত্যাদির উপর স্ট্রং হয়ে থাকে তাই এটা সাইকোলজিকালি ভেবে নিতে পারি ইউরুপের অর্থনীতিক অবস্তা এপ্রিল মাসে একটু ভাল থাকে অন্য সব মাস থেকে!! এখন কথা হচ্ছে মে মাসে কি করা যায়? হ্যাঁ তারও সল্যুশন আছে !! আমাদের ট্রাম্প (টেম্পু) নিউজে বলেছে মে মাসে কি যেনো একটা বিষয় কার্যকর করবে(বিষয়টা এই মুহূর্তে মনে পরছে না সরি)। যদিও আমি ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস করি না বা তেমন বোঝি না আমি ফুল টেকনিক্যাল ট্রেডার। আমি সব কিছুই টেকনিক্যালি কভার করার চেস্টা করি। আসলে মে মাসে আমেরিকার অর্থনীতিক অবস্থা ভাল থাকে তাই এই বারেও তাই ঘটতে পারে। তাই আমরা usd/jpy buy এবং gbp/usd sell করতে পারি মে মাসের জন্য। এই হলো তিন মাসের মার্কেট সাইকোলজিক্যাল স্ট্রেটেজি আরো তো ৯ মাসের সেসন বাকি আছে। আস্তে আস্তে জানানোর চেস্টা করব>>>>
বিঃদ্রঃ ফরেক্স মার্কেটে কেউ ১০০% সিউর দিয়ে কিছুই বলতে পারবেন না তাই আমি যেটা বলছি তা আমার বেক্তিগত অভিজ্ঞাতা থেকে বলছি। তবে এইটুকু বলব কথাগুলো মনে রাখবেন। কাজে আসতে পারে.........
eur/usd এপ্রিল মাসের জন্য বাই করতে পারি। একটি দেশের কারান্সি জিডিপি ইত্যাদির উপর স্ট্রং হয়ে থাকে তাই এটা সাইকোলজিকালি ভেবে নিতে পারি ইউরুপের অর্থনীতিক অবস্তা এপ্রিল মাসে একটু ভাল থাকে অন্য সব মাস থেকে!! এখন কথা হচ্ছে মে মাসে কি করা যায়? হ্যাঁ তারও সল্যুশন আছে !! আমাদের ট্রাম্প (টেম্পু) নিউজে বলেছে মে মাসে কি যেনো একটা বিষয় কার্যকর করবে(বিষয়টা এই মুহূর্তে মনে পরছে না সরি)। যদিও আমি ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস করি না বা তেমন বোঝি না আমি ফুল টেকনিক্যাল ট্রেডার। আমি সব কিছুই টেকনিক্যালি কভার করার চেস্টা করি। আসলে মে মাসে আমেরিকার অর্থনীতিক অবস্থা ভাল থাকে তাই এই বারেও তাই ঘটতে পারে। তাই আমরা usd/jpy buy এবং gbp/usd sell করতে পারি মে মাসের জন্য। এই হলো তিন মাসের মার্কেট সাইকোলজিক্যাল স্ট্রেটেজি আরো তো ৯ মাসের সেসন বাকি আছে। আস্তে আস্তে জানানোর চেস্টা করব>>>>
বিঃদ্রঃ ফরেক্স মার্কেটে কেউ ১০০% সিউর দিয়ে কিছুই বলতে পারবেন না তাই আমি যেটা বলছি তা আমার বেক্তিগত অভিজ্ঞাতা থেকে বলছি। তবে এইটুকু বলব কথাগুলো মনে রাখবেন। কাজে আসতে পারে.........
Subscribe to:
Posts (Atom)



